পেঙ্গুইনরা প্রায়শই জীবনের জন্য একটিমাত্র সঙ্গীর সঙ্গে জোড়া বাঁধে। তাই তাদের বংশবৃদ্ধি এবং প্রজনন চক্রের জন্য প্রতিটি মেয়ে পেঙ্গুইন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু গবেষণায় দেখা গেছে, প্রকৃতির কারণে মেয়ে পেঙ্গুইনের মৃত্যুহার পুরুষ পেঙ্গুইনের তুলনায় কিছুটা বেশি। এর কয়েকটি কারণ রয়েছে।
প্রথমত, খাদ্যের জন্য লড়াই এবং শিকারী প্রাণীর আক্রমণ মেয়ে পেঙ্গুইনের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে বেশি। ঠান্ডা অঞ্চলে খাদ্যের খোঁজে দূর দূরান্ত পর্যন্ত সাঁতার কেটে যাওয়ায় তাদের শক্তি দ্রুত শেষ হয়ে যায়, এবং ফলে তারা অসুস্থ বা আহত হতে পারে।
দ্বিতীয়ত, বংশবৃদ্ধি ও প্রজননের সময় মেয়ে পেঙ্গুইনরা শারীরিকভাবে খুব ক্লান্ত হয়। ডিম পাড়া এবং বাচ্চা লালন-পালনে তারা অনেক শক্তি খরচ করে, যা তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকেও কমিয়ে দেয়। এই কারণে মেয়েদের মৃত্যু বা আহত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।
পরিশেষে, মেয়ে পেঙ্গুইনের সংখ্যা কমে যাওয়া মানে হলো পুরো পেঙ্গুইন প্রজাতির বংশগতি বাধাগ্রস্ত হতে পারে। সেজন্য গবেষকরা এই বিষয়ের দিকে বিশেষ মনোযোগ দিচ্ছেন, যাতে পরিবেশ ও খাদ্যশৃঙ্খলা ঠিক রাখা যায় এবং প্রজাতি সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া যায়।